ভাইরাল ও ভিডিও

Viral news : তুমি জীবনে কিস্যু করতে পারবে না! ২ বছর পর শিক্ষিকাকে এই কথার যোগ্য উত্তর দিল ছাত্র

Viral news : সম্প্রতি এক ছাত্র তার শিক্ষিকাকে হোয়াটসঅ্যাপে এমন জবাব দিয়েছেন, যা ঝড়ের গতিতে ছড়িয়ে পড়েছে সকলের কাছে। দুবছর আগে এক স্কুল শিক্ষিকা তার ক্লাস ১০ এর এক ছাত্রকে বলেছিলেন যে, সে কখনও কিছু করতে পারবে না, এমনকি স্কুল পাশ করতে পারবে না। সেই ছাত্র দুই বছর পর তার সেই শিক্ষিকার কাছে একটি চমকে দেওয়া বার্তা পাঠালেন whatsapp এর মাধ্যমে। ওই ছাত্র শিক্ষিকাকে মেসেজে লিখেছেন, আমি ২০১৯-২০ ব্যাচে আপনার ক্লাশ ১০ এর ছাত্র ছিলাম। আপনি আমাকে সবসময় ছোট করতেন, বলতেন যে আমি নাকি কখনো কিছুই করতে পারবো না। আজ আমি ভালো নম্বর নিয়ে ক্লাশ ১২ ক্লাস পাস করেছি এবং যে বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে চেয়েছিলাম সেখানেই ভর্তি হওয়ার সুযোগও পেয়েছি।

নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হওয়া এই হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট এ্যাই মুহূর্তে ভাইরাল করা হয়েছে টুইটারে। @hasmathaysha3 নামের একটি টুইটার হ্যান্ডেল থেকে শেয়ার করা হয়েছে ভাইরাল সেই ছবি।

Teacher student conversation in WhatsApp

সেই ছাত্র তার শিক্ষিকাকে চ্যাট করে লিখেছেন যে হ্যালো ম্যাম, আমি আপনার ২০১৯-২০ ব্যাচের ছাত্র ছিলাম। আমি এই বার্তা আপনাকে পাঠানোর কারণ হল আপনি আমাকে বলেছিলেন যে আমি নাকি জীবনে কিছুই করতে পারব না, আপনি এও বলেছিলেন যে আমি স্কুল পাস করতে পারব না। আপনি আমাকে সবসময় ছোট করেছেন। কিন্তু, আমি আপনাকে জানতে চাই যে আজ আমি ভাল নম্বর নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছি, এবং আমার পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে নাম ভর্তি করেছি যেখানে আমি সবসময় ভর্তি হতে চেয়েছিলাম। এছাড়াও, আমি যে কোর্সটি করতে চেয়েছিলাম তা করছি। এটি কোনো ধন্যবাদ বার্তা নয়, আমি আপনাকে জানাতে চাই যে, আমি যা চেয়েছি তাই করতে পেরেছি৷ সুতরাং, অনুগ্রহ করে এর পর থেকে অন্যদের প্রতি সদয় হওয়ার চেষ্টা করবেন, বিশেষ করে ছাত্রদের যাদের আপনার সাহায্যর প্রয়োজন।

শিক্ষিকাকে করা এই চ্যাটের স্ক্রিনশটটি শেয়ার করে ক্যাপশনে সে লিখেছে – দুই বছর আগে আমি এবং আমার বন্ধুরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে যেদিন আমাদের ফলাফল আসবে, আমরা আমাদের শিক্ষিকাকে একটি বার্তা পাঠাব। ইতিমধ্যেই এই টুইটটিতে ৬৫ হাজারের বেশি লাইক ও প্রায় ৬ হাজার রিটুইট করা হয়েছে। ছাত্রের এমন বার্তায় অনেকেই নিজেদের মতামত কমেন্ট করে জানিয়েছেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button